Arsenic – Scene 1: Prologue

চরিত্র

Mr Crawford: Master of house, widower and father of Agnes

Agnes: Daughter of Mr Crawford

Kishenlal: Old and trusted servant of house

Kishenlals Wife: Childhood nurse of Agnes

Doctor Bibbs: Family Doctor

James Cunningham: A charming but dangerous stranger

Gulabi: Companion to Agnes / Young attractive and with loose morals

Dr Botobal: Friend of James – Bone specialist

The Reverend: Pastor of St Joephs Church Chandenagore

Scene 1

A room entirely in darkness. A woman her face cant be seen. Only her hands are exposed upto her elbows, they are covered in blood.

Gulabi: উঠছে না – কিছুতেই উঠছে না। আমি কি করি ? এ দাগ যে হাথ থেকে জেতে চায় না। (She washes her hands vigourously in a pail of water) এতো ধুচ্ছি তবু ওঠে না। ঘশে ঘশে ছাল উঠে এল তাও যায়ে না। রক্তের দাগ, ওঠবার নয়, কি করি – সবাই জেনে যাবে – আমি কি করি। (Looks around as if startled by someone) কে – কে ওখানে – বিশ্বাস কর এমনটা হোক আমি চাইনি – সত্যি বলছি – দোহাই তোমার – রক্তের দাগ আমি হাতে চাইনি – জানি আমার পাপের প্রায়েসচিত্ত হয়ে না – তবু ক্ষমা চাইছি – আমাকে মাপ করে দাও। (She kneels down – her face remains covered – only her bloodied hands are visible to audience) Lights fade.

Narrator: কলকাতার হাওড়া ব্রিজ থেকে নৌকা করে হগ্লি নদী ধরে যদি জাত্রা করেন তাহলে হয়ত আপানারা আজ দেখবেন অনেক বন্ধ হয় যাওয়া কারখানা। তাদের লহার ফটক তালা মারা মরচে পরা, তাদের নদীর উপর জেটি আজ পোঁচে ভেঙ্গে পরছে, বিশাল ইটের চিমনি দিয়ে আজ আর ধোঁয়া বেরয়ে না – আজ সেই কারখানা, সেই মিল গুলি যেন কোন জান্ত্রিক প্রেতপুরি – লোক জন নেই সব সুনসান – শুধু প্রাচীন ইটের ভগ্নদশা পরে আছে অতিতের স্ম্রিতি আকরে ধরে। আজ থেকে একশো বছর আগে হুগলী নদী বেয়ে চন্দন্নগরে এসে পউছান মিঃ ফিলিপ ক্রফরড। কলকাতার দালহাউসি স্কোয়ার এ বর সাহেবি কম্পানি Hastings & Wallace। বাংলা দেশে তখন চটের ব্যাবসা করে অনেক কম্পানি ভাল মুনাফা কামাচ্ছে। Hastings & Wallace কম্পানির তরফ থেক তাদের চন্দননগরে Imperial Jute Mill দেখা শুনা করবার জন্য পাঠান হয়েছে ক্রফরড সাহেবকে। সাহেব বিপত্নিক – সংসারে তার একমাত্র কন্যা Agnes, বাড়ির পুরানো ভৃত্য কিসেনলাল, তার স্ত্রি জাসোদা ও বাগানের মালি কালুয়া । শহরটা বেশ পছন্দ হয় গেল সাহেবের – সুন্দর গঙ্গার পার ধরে সাজানো রিভেরিয়া – মনে হয় যেন কলকাতার দুশন থেকে অনেক দূরে। জমি কিনে বাড়ি বানিয়ে ফেললেন – ইচ্ছা এইখানেই থেকে জাবেন। স্বর্গীয় স্ত্রির স্ম্রিতিতে বাড়ির নাম রাখলেন মেরিয়ান কটেজ। মেরিয়ান কটেজি হল এই গল্পের কেন্দ্রবিন্দু ।

Lights fade.

Advertisements

One Comment Add yours

  1. parthamoulik62 says:

    ভাল লাগছে । go ahead.

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s