Arsenic – Scene 2 : The Accident

Scene 2

Morning time at Maryanne Cottage. Living room. Phillip Crawford reading newspaper, Kishenlal and his wife setting up table for breakfast. Light background soundtrack of rural setting ie. Birds twittering etc. Enter Agnes.

Agnes: Good morning Daddy

Mr Crawford: গুড মর্নিং আগ্নেস – আজ তো বেশ সকাল সকাল উঠে পরেছ ?

Agnes: Ba uthbo na ? – I hardly slept a wink all night. (বাঃ উঠব না)

Mr Crawford: সে কি ডার্লিং – why not ?

Agnes: Daddy tumi ki kicchu mone rakho na? Today is special remember ? (বাপি তুমি কি কিচ্ছু মনে রাখো না। )

Mr Crawford: Special …. I dont remember…– কোন ছুটি ছাটা আছে বুঝি ।

Agnes: Daddy you are hopeless । Kishen kaka tumi babake mone koriye dao. ( কিশেন কাকা তুমি বাবাকে মনে করিয়ে দাও ।)

Kishenlal: আমি আর কর্তা বাবুকে কি মনে করাব – দিদি মনি – কর্তা বাবুর সব মনে আছে – তোমার সাথে একটু মজা করছে এই জা ।

Agnes: That’s not funny Daddy – ami na tomar ek meye (আমি না তোমার এক মেয়ে।)

Mr Crawford: আরে তুই তো একেবারে চটে গেলি – মায়ের মেজাজটা পেয়েছে বুঝলে কিশেনলাল – আমার মনে থাকবে না কেন – দারা ভাবতে দে তোর আজ কত বছর হল হুম… 17 তাই না ।

Agnes: Daddy tumi kicchu jano na – that was last year – ekhon ami 18. (বাপি তুমি কিচ্ছু জান না এখন আমি ২১।)

Mr Crawford: Would you believe it – 18 – তবে তো একেবারে বড় হয়ে গেছিস। দেখ জাশধা তোমার আগ্নেস বিটিয়া কত বড় হয় গেছে – এবার তো একটা বড় খুজতে হবে।

Jashodha: আমি তো রোজ দুয়া মাঙ্গি – আমার থাকতে থাকতে – আমার আগ্নেস বিটিয়ার এক রাজপুত্তুরের সাথে শাদি হয় যাক।

Agnes: If you are all going to tease me on my birthday I will not speak with anyone. Amar toast kothaye ? (তোমরা যদি সবাই মিলে আমার পিছনে লাগ তাহলে আমি কারর সাথে কথা বলব না।)

Mr Crawford: Now dear, dont get angry। জন্মদিনে রাগ করতে নেই।

Agnes: Daddy you have promised me something for my birthday – I hope you remember. (তুমি আমাকে জন্মদিনে কি দেবে)

Mr Crawford: Have I promised something – কিছু তো মনে পরছে না ।

Agnes: Daddy you are so cruel – I know you remember perfectly well. Stop pretending please.

Mr Crawford: Sorry darling I am a bit fuzzier than usual this morning – তোকে কি দেব বলেছিলাম তোর মুখেই শুনি – you know very well সকালে কফি না খেলে আমার মাথাটা এক্কেবারে কাজ করে না।

Agnes: Tumi bolechile ekta ghora debe amake – you promised me. (তুমি বলেছিলে একটা ঘোড়া দেবে আমাকে)

Mr Crawford: Well Well – is that so ? কথা দিয়েছিলাম – তাহলে তো বেশ গুরুতর ব্যাপার – কি বল কিশেনলাল।

Kishenlal: জি হুজুর।

Mr Crawford: ভুলি নি রে ভুলি নি – তোর জন্মদিনের উপহার গারি বারান্দাতে বাধা আছে। Arabian thoroughbred bloodline – Mysore maharajar stable theke – কাল রাতেই এসে পউছেছে – He is called Shiraz।

এই সময় বাইরে থেকে ঘোড়ার ডাক শোনা যায়ে।

Agnes: My own horse – you are the best dad in the world. I am so happy. I love you Daddy Thank you Thank you….. muah muah.

আবার ঘোড়ার শব্দ। এবার আগ্নেস এগিয়ে যায়ে সাইড ওয়িঙ্গের দিকে, সেখান থেকে ও ঘোড়া দেখতে পাচ্ছে।

Agnes: He is gorgeous. Shiraz – oh yes – the name is just right for him – daddy – I want to ride him now.

Mr Crawford: Patience my dear – he has only just been saddled – আসার পর ওর পিঠে কেউ সওয়ার হয় নি – একটু সবুর কর আগে লোক ডেকে ঘোড়ার চাল্টা একবার দেখে নি।

Agnes: Na na baba (না না – বাবা) he is the sweetest horse – Amake kicchu korbe na ( আমাকে কিচ্ছু করবে না। )Besides you know very well there is not a better rider in Chandenagore – Tai na Kishen Kaka (তাই না কিশান কাকা।)

Kishenlal: সো তো ঠিক বলেছ – বিটিয়া – তোমার মত সয়ারি এই তল্লাটে আর দুটা নেই। তবু কর্তা সাহেব জা বলছেন, সেটা মেনেই নাও – হাজার হোক একটা জানোয়ার হচ্ছে।

Agnes: Khobordar Kishen Kaka amar shiraj ke janwar bolbe na (খবরদার কিশান কাকা আমার সিরাজকে জানোয়ার বলবে না) – You and daddy are such stick in the muds – you are getting old Kishen Kaka – I am taking him for a ride now – du chukker – dont worry I will be fine.

Agnes exits stage excited and eager to ride Shiraz. Sound of horse neighing, Agnes excited, Mr Crawford giving encouragement and advice from on stage, Kishenlal and Jashodha looking on. Sound of galloping horse and excited screams from Agnes.

Mr Crawford: সাবাশ আগ্নেস সাবাশ – শক্ত করে লাগাম ধর – হ্যা – সাবাশ।

Kishenlal: সামহাল কে বিটিয়া – জোশ মে মাত আনা – ধিরে বিটিয়া ধিরে।

Mr Crawford: দেখেছ কিশেনলাল দেখেছ আমার আগ্নেস্কে – কিরকম হায়য়ার বেগে ঘোড়া ছুটাচ্ছে – যেন সাক্ষাত ডাইয়ান।

Kishenlal: হা হা সরকার – দেখিয়ে হামারা আগ্নেস বিটিয়া কো দেখিয়ে তো জারা। সামহাল কে বিটিয়া সামহাল কে।

Mr Crawford: Careful Agnes Careful – Watch out for that fence – Don’t try to jump that – No Agne NO NO..

Scream of horse as it falls over fence followed by scream of Agnes in agony.

Mr Crawford: পরে গেছে কিশেনলাল – আগ্নেস ঘোড়া থেকে পরে গেছে – কালুয়া উঠাও মেমসাবকও – আগ্নেস আমি আসছি…

Jashodha: হায়ে রাম – এটা কি হয় গেল – আগ্নেস বিটিয়া কে বাচিয়ে নাও ভগবান আগ্নেস বিটিয়া কে বাচিয়ে নাও।

Mr Crawford and Kishanlal rush off stage to rescue Agnes. The carry back Agnes who is unconscious and lay her on the sofa. They all try to revive her with water and fuss over her.

Jashodha: হায় হায় – এ কি সরবনাশ হয়ে গেল – আমার আগ্নেস বিটিয়া যে চোখ মেলছে না – হা ভগবান এ কি হয় গেল…।

Kishenlal: ভগবান কে পরে ডাকবে– দুখিয়ার মা – নিজেকে শক্ত কর। বিটিয়ার পায়ে বরফ লাগাও – জলের ছিটে দাও হশ ফেরাবার জন্য।

Mr Crawford: ঠিক বলেছ – মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে – kishenlal এখুনি জাও ডাক্তার বিবস এর কাছে – নিয়ে এস জালদি জালদি। জাও জাও দেখছ কি – বরফ এনেছ – ছেটা দাও জলের ছেটা দাও ওকে।

They all busy themselves trying to help Agnes.

Enter Kishenlal with Dr Bibbs.

Kishenlal: ডাক্তার বাবু এসে গেছেন হুজুর।

Mr Crawford: এসেছ ডাক্তার – এক মুহূর্ত দেরি কর না – আগ্নেস ঘোড়া থেকে পরে গিয়ে আর চোখ মেলছে না – তুমি কিছু কর।

Dr Bibbs: সরে জাও – আমাকে দেখেতে দাও।

Dr Bibbs examines Agnes with others looking on with concern. After sometime the doctor gets up and comes to front of stage. Mr Crawford follows him. Kishenlal and wife continues tending to Agnes.

Dr Bibbs: বেচে যাবে – ফিলিপ – খুব লাকি – মারাত্মক হতে পারত।

Mr Crawford বেচে যাবে – thank God – কিন্তু এখনো যে চোখ খলে নি।

Dr Bibbs: Suffering a traumatic reaction – Its quite natural keeping in mind the severity of the injury. আমি মরফিন দিয়ে বাথা অবশ করে রেখাছি।

Mr Crawford: Severity of injury – কিন্তু এই যে বললে বেচে যাবে।

Dr Bibbs: পরবার সময় ঘোড়ার ওজনটা পরেছে আগ্নেসের পায়ের উপর। আগ্নেসের একটা পা একেবাড়ে গুরিয়ে গেছে।

Mr Crawford: Oh my God – এ কি বলছ ডাক্তার।

Dr Bibbs: I am sorry Phillip – I really am – বিশ্বাস কর আগ্নেসের পাটা যদি বাচানর কোন আশা থাকত আমি চেষ্টা করতাম – কিন্তু একটা হার পর্যন্ত আস্ত নেই। রক্ত চলাচল পুরপুরি বন্ধ, I am afraid… কথাটা কি করে বলব তোমাকে বুঝতে পারছি না।

Mr Crawford: What do you mean doctor, you have to save her foot – ওটা কি করে ঠিক হবে ডাক্তার।

Dr Bibbs: ওই পাটা বাঁচানো যাবে না ফিলিপ – I am really very sorry.

Mr Crawford: কি বলছ ডাক্তার – surely there has to be a way.

Dr Bibbs: ফিলিপ – Agnes is your daughter কিন্ত ওকে আমি নিজের মেয়ের মত দেখি। ওর এক পায়ে সমস্ত রক্ত চলাচল বন্ধ। ২৪ ঘন্টার মধ্যে ওর শরিরের রক্ত বিশিয়ে উঠেবে। একবার বিশুতে শুরু করলে সেটা আর আটকাতে পারব না। এক্টাই রাস্তা আগ্নেস কে বাচাবার – I have to amputate.

Mr Crawford: না না – আমি ভাবতে পারছি না – You must be mistaken Doctor.

Dr Bibbs: I wish I was mistaken Phillip, but I am not. You need to trust me Phillip. পাটা কেটে না ফেললে আগ্নেস কে বাঁচানো যাবে না – We have to operate immediately.

Mr Crawford: Doctor. Agnes is my only daughter. You have to find another way to save her. I beg you.

Dr Bibbs: না ফিলিপ। There is no other way.

Mr Crawford: আমার আগ্নেস্কে সারা জীবন একটা পা নিয়ে বাচতে হবে।

Dr Bibbs: না, তা কেন – নকল পা বানিয়ে দেব ।

Mr Crawford: তাতে হাটতে পারবে ?

Dr Bibbs: দিব্বি পারবে। এত ভেঙ্গে পর না। আজকাল এসব চিকিৎসার অনেক উন্নতি হয়েছে। আমি ইংলান্ড থেকে আগ্নেসের prosthetic foot বানিয়ে আনাব। আমি নিজে সেটা আগ্নেসের হারের সাথে লাগিয়ে দেব। তোমাকে আমি কথা দিচ্ছি I will personally ensure she receives the best possible treatment.

Mr Crawford: বেশ তোমার কথাই মানলাম তবে আমার একটা সর্ত আছে। নকল পা যদি আগ্নেস্কে পরতেই হয়, সে পা মোশের সিং বা হাতির দাতের হবে না। ওকে যদি নকল পা পরতে হয় তাহলে সেটা হবে সোনার পা।

Dr Bibbs: A gold foot ?

Mr Crawford: Yes doctor a gold foot. আমি আগ্নেসের জন্য সোনার পা গরে দেব – সোনার পা।

Lights fade out.

Narrator: এর পর কয়েক বছর কেটে গেল। মিঃ ক্রফরড এই আঘাত সহ্য করতে পারলেন না। অনার শরির ভেঙ্গে পরল – কয়েক বছর পরে উনি চিরকালের মত এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন। মেরিয়ান কটেজে পরে রইলো আগ্নেস, বুড়ো কিশেনলাল এবং জাশদা। আগ্নেসের জিবনে কোন প্রেম নেই, কোন বন্ধু নেই, সে একা। আগ্নেস আর বিয়ে করল না। জউবনের যে ফুল ফটে সকল মেয়ের মনে, সেই ফুল কুরিতেই শুকিয়ে গেল আগ্নেসের বেলায়। একটি ম্লান ছায়ার মত মারিয়ান কটেজের ভেতরে থেকে গেল আগ্নেস, কোনও রাজকুমার এল না ওকে উদ্ধার করতে। একজন সম্বয়সি মেয়েকে নিজুক্ত করা হল – সঙ্গ দেবার জন্য – গুলাবী। রোজ সূর্যাস্তের সময় আগ্নেস্কে নিয়ে গুলাবী বেরুত ভ্রমনে – এই এইখানেই – Saint Josephs Convent চার্চের বাগানে।

নিয়ে গুলাবী বেরুত ভ্রমনে – এই এইখানেই – Saint Josephs Convent চার্চের বাগানে।

Advertisements

One Comment Add yours

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s